মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন

যে দেশে রেলপথ যত উন্নত সেদেশ তত বেশি উন্নত- রেলমন্ত্রী

শ্রীনগর ও সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা::

নির্মানাধীন পদ্মা সেতু রেল-সংযোগ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রেলপথ মন্ত্রী মো: নূরুল ইসলাম সুজন এমপি।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় প্রকল্প বাস্তবায়নকারী বেসরকারী সংস্থা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মাঝে চেক হস্থান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রেলপথ মন্ত্রী মো: নূরুল ইসলাম সুজন এমপি ১০ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির মাঝে পুনর্বাসন সুবিধার চেক প্রদান করেন। এর আগে সিরাজদিখান উপজেলার কুচিয়ামোড় এলাকায় রেললাইন সংযোগস্থল পরিদর্শন করেন।

চেক বিতরণকালে রেলমন্ত্রী বলেন, সে দেশে রেলপথ যত উন্নত সেদেশ ততবেশি উন্নত আর সেখানে বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে রেলের ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করে রেল ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছিলে, মানুষকে বেকার করে দিয়েছিলো। এই রেল লাইন ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১শ ৭২ কি.মি.। এই প্রকল্পের ব্যায় ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা। মুন্সীগঞ্জে ৬শ ৭১ জন ক্ষতিগ্রস্থকে ৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা দেওয়া হবে। আজ ১শ ৭৫ জনকে চেক দেওয়া হচ্ছে। ২য় হবে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় রেলসংযোগর উদ্দ্যোগ গ্রহন করেছে। পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন হলে দেশের জিডিপিতে ২শতাংশ ও রেলপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১শতাংশ যুক্ত হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ২০ কিংবা ৪০ সাল নয় ডেলটা পরিকল্পনার মাধ্যমে ১শত বছর পরের বাংলাদেশকে আমরা কোন পর্যায় দেখতে চাই তার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, কুষ্টিয়া-১ আসনের সাংসদ এ কে এম সারওয়ার জাহান বাদশা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কাজী মো: রফিকুল আলম। প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিএসসি’র প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মো: মাসুদ, এর প্রতিষ্ঠাতা এএইচএম নোমান, ক্ষতিগ্রস্থ মো: নেয়ামতউল্লাহ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিএসসির তত্ত্বাবধানে র্ডপ পিবিআরএলপি পূনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ঢাকা হতে মাওয়া হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রথম ধাপের প্রকল্পে ৮২.৩৫ কিলোমিটার রেলপথে ক্ষতিগ্রস্থ ৩৫৪৮ পরিবার রয়েছে। প্রকল্পটিতে ৩৫৮.৪১ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্থরা ১৯৮২ সালে ভূমি অধিগ্রহণ আইনের আওতায় ইতপূর্বে জেলা প্রশাসক থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com